বাংলাদেশ-আফ্রিকা বিজনেস অর্গানাইজেশন
“বাংলাদেশ-আফ্রিকা বিজনেস
অর্গানাইজেশন” বা
সংক্ষেপে BABO নামে
একটি
নতুন
সংগঠনের সৃষ্টি
হোয়েছে। এ
ধরণের
উদ্যোগ
বাংলাদেশে এটিই
প্রথম।
বিপুল জনগোষ্ঠির খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ বর্তমান সরকারের একটি অন্যতম লক্ষ্য। কেননা গত অর্থবছরে দেশের খাদ্যঘাটতি পূরণের প্রচেষ্টায় এর রয়েছে তিক্ত অভিজ্ঞতা। ইচ্ছা সত্বেও অনেক চাউল উৎপাদনকারী দেশের পক্ষেই তখন চাউলের যোগান সরবরাহ করা সম্ভব হয়নি।
এতদসংক্রান্ত বিষয়ে এক মিটিং এ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ব্যবসায়দের আফ্রিকা অঞ্চলসমুহে ধান চাষের সম্ভাবনা খুঁজে বের করার নির্দেশ দেন। তাঁর নির্দেশে উক্ত অঞ্চলসমূহে নিটল-নিলয় গ্রুপ ব্যাপক গবেষণা অনুসন্ধান চালায় এবং আফ্রিকার একটি দেশ উগান্ডা পরিদর্শন করে। সত্যিই আফ্রিকার দেশসমুহে তারা কৃষিক্ষেত্রের এক অপার সম্ভাবনার সন্ধান পাই! তারা বাংলাদেশি জনগণকে কৃষিতে বিনিয়োগের জন্য তাদের দেশে সাদর সম্ভাষণ জানিয়েছে।
এই যাত্রা শুরু করতে আফ্রিকার বিভিন্ন কৃষি প্রকল্পে বিনিয়োগে ইচ্ছুক বাংলাদেশি বিনিয়োগকারীদের সমন্বয়ে গঠিত হয়েছে BABO। শুধু কৃষিতেই নয়, বাংলাদেশি বিনিয়োগকারীদের সহায়তা করবে - এমন যে কোন বিনিয়োগ-বাণিজ্যেই BABO তার সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেবে। আফ্রিকায় বিনিয়োগ ও বাণিজ্যের যে বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে, BABO বাংলাদেশি উদ্যোক্তাদের সে সম্পর্কে প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে সমৃদ্ধ করবে।
BABO দেশের ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এর সাথেও ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার ইচ্ছা পোষণ করে। BABO দেশের সকল ব্যবসায়ী সংগঠন কে গুরুত্বপূর্ণ এই “খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ ফোরামের” সাথে একযোগে কাজ করার আহ্ববান জানাই। একযোগে কাজ করলে “আফ্রিকা বিনিয়োগ” একটি চুড়ান্ত সফল বিনিয়োগে রূপ লাভ করবে।
BABO এর লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য ঃ
BABO একটি অলাভজনক প্রতিষ্ঠান যা বাংলাদেশ-আফ্রিকার মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সম্পর্ক বৃদ্ধির লক্ষ্যে গঠিত।
BABO এর কার্যাবলীর মধ্যে রয়েছে -
- বাংলাদেশে নেতৃত্বদানকারী বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ মুখপাত্রের নিয়মিত কার্যক্রম
- সদস্যদের নিজ নিজ ব্যবসা সংক্রান্ত বিষয়ে আলাপআলোচনার জন্য অনানুষ্ঠানিক জনসমাবেশ
- আফ্রিকান দেশসমুহে সুপরিচিত ব্যক্তিবর্গ কর্তৃক আফ্রিকার সরকার ও ব্যবসায়ীদের সাথে সরাসরি পরিচিতিকরণ
- বাংলাদেশে নিযুক্ত হাইকমিশন ও কনস্যুলেট এবং আফ্রিকান দুতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগে সহায়তাকরণ
- ফোরামের নেটওয়ার্ক বৃদ্ধি
- বাংলাদেশ ও আফ্রিকার সরকার কর্তৃক অথবা বেসরকারি বাণিজ্য সংগঠন কর্তৃক পরিচালিত দেশে ও দেশের বাইরে বিনিয়োগ বাণিজ্যিক কার্যক্রমে নিয়মিত অংশগ্রহণ
- বিনিয়োগ ও বাণিজ্য সংক্রান্ত সেমিনার ও কনফারেন্সের আয়োজন করা
BABO এর সদস্যবৃন্দ যে সকল সুবিধাসমুহ ভোগ করবেন --
- প্রথম সারির কর্পোরেশন, ব্যাংক, বিভিন্ন আর্থিক ও সুসংগঠিত প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিবর্গের সহায়তা
- সম্মানীয় ও ভিআইপি ব্যক্তিবর্গের সংসর্গ লাভ ও মতবিনিময়ের সুযোগ
- ব্যবসায়িক কার্যক্রম ও আলোচনায় ব্যবসায়িক প্রতিনিধিদের সঙ্গে অংশগ্রহণ
- সরকারি আমলা ও কুটনৈতিক প্রতিনিধিদের সংস্পর্শে আসা
- বিনিয়োগ ও বাণিজ্যের তথ্যানুসন্ধান
- স্ব স্ব ব্যবসায়িক কার্যক্রমের অগ্রগতি সাধন
বাংলাদেশ এই নতুন উদ্যোগের মাধ্যমে খুবই উপকৃত হবে। বাংলাদেশ সরকারকে BABO এই মুহুর্তে অনুরোধ করতে চাই-
১. যত শীঘ্র সম্ভব আফ্রিকায় বিনিয়োগের প্রয়োজনীয় অনুমতি প্রদান
২. দেশে ও বিদেশে কৃষি কাজের জন্য ব্যবসায়িদের উৎসাহিতকরণ
BABO এর এখন দুটি প্রধান উদ্দেশ্য -
১. বাংলাদেশের জন্য খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা
২. বাংলাদেশি উদ্যোক্তাদের আফ্রিকা ও এর দেশসমুহে বিনিয়োগের অনুমতি লাভে কাজ করা
ভবিষ্যৎ প্রজন্ম এই মহতী উদ্দোগের জন্য BABO কে কৃতজ্ঞচিত্তে স্বরণ করবে এবং এই প্রকল্পকে এগিয়ে নিতে তারা ভবিষ্যতে নিরলসভাবে কাজ ক’রে যাবে।
বিপুল জনগোষ্ঠির খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ বর্তমান সরকারের একটি অন্যতম লক্ষ্য। কেননা গত অর্থবছরে দেশের খাদ্যঘাটতি পূরণের প্রচেষ্টায় এর রয়েছে তিক্ত অভিজ্ঞতা। ইচ্ছা সত্বেও অনেক চাউল উৎপাদনকারী দেশের পক্ষেই তখন চাউলের যোগান সরবরাহ করা সম্ভব হয়নি।
এতদসংক্রান্ত বিষয়ে এক মিটিং এ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ব্যবসায়দের আফ্রিকা অঞ্চলসমুহে ধান চাষের সম্ভাবনা খুঁজে বের করার নির্দেশ দেন। তাঁর নির্দেশে উক্ত অঞ্চলসমূহে নিটল-নিলয় গ্রুপ ব্যাপক গবেষণা অনুসন্ধান চালায় এবং আফ্রিকার একটি দেশ উগান্ডা পরিদর্শন করে। সত্যিই আফ্রিকার দেশসমুহে তারা কৃষিক্ষেত্রের এক অপার সম্ভাবনার সন্ধান পাই! তারা বাংলাদেশি জনগণকে কৃষিতে বিনিয়োগের জন্য তাদের দেশে সাদর সম্ভাষণ জানিয়েছে।
এই যাত্রা শুরু করতে আফ্রিকার বিভিন্ন কৃষি প্রকল্পে বিনিয়োগে ইচ্ছুক বাংলাদেশি বিনিয়োগকারীদের সমন্বয়ে গঠিত হয়েছে BABO। শুধু কৃষিতেই নয়, বাংলাদেশি বিনিয়োগকারীদের সহায়তা করবে - এমন যে কোন বিনিয়োগ-বাণিজ্যেই BABO তার সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেবে। আফ্রিকায় বিনিয়োগ ও বাণিজ্যের যে বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে, BABO বাংলাদেশি উদ্যোক্তাদের সে সম্পর্কে প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে সমৃদ্ধ করবে।
BABO দেশের ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এর সাথেও ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার ইচ্ছা পোষণ করে। BABO দেশের সকল ব্যবসায়ী সংগঠন কে গুরুত্বপূর্ণ এই “খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ ফোরামের” সাথে একযোগে কাজ করার আহ্ববান জানাই। একযোগে কাজ করলে “আফ্রিকা বিনিয়োগ” একটি চুড়ান্ত সফল বিনিয়োগে রূপ লাভ করবে।
BABO এর লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য ঃ
BABO একটি অলাভজনক প্রতিষ্ঠান যা বাংলাদেশ-আফ্রিকার মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সম্পর্ক বৃদ্ধির লক্ষ্যে গঠিত।
BABO এর কার্যাবলীর মধ্যে রয়েছে -
- বাংলাদেশে নেতৃত্বদানকারী বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ মুখপাত্রের নিয়মিত কার্যক্রম
- সদস্যদের নিজ নিজ ব্যবসা সংক্রান্ত বিষয়ে আলাপআলোচনার জন্য অনানুষ্ঠানিক জনসমাবেশ
- আফ্রিকান দেশসমুহে সুপরিচিত ব্যক্তিবর্গ কর্তৃক আফ্রিকার সরকার ও ব্যবসায়ীদের সাথে সরাসরি পরিচিতিকরণ
- বাংলাদেশে নিযুক্ত হাইকমিশন ও কনস্যুলেট এবং আফ্রিকান দুতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগে সহায়তাকরণ
- ফোরামের নেটওয়ার্ক বৃদ্ধি
- বাংলাদেশ ও আফ্রিকার সরকার কর্তৃক অথবা বেসরকারি বাণিজ্য সংগঠন কর্তৃক পরিচালিত দেশে ও দেশের বাইরে বিনিয়োগ বাণিজ্যিক কার্যক্রমে নিয়মিত অংশগ্রহণ
- বিনিয়োগ ও বাণিজ্য সংক্রান্ত সেমিনার ও কনফারেন্সের আয়োজন করা
BABO এর সদস্যবৃন্দ যে সকল সুবিধাসমুহ ভোগ করবেন --
- প্রথম সারির কর্পোরেশন, ব্যাংক, বিভিন্ন আর্থিক ও সুসংগঠিত প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিবর্গের সহায়তা
- সম্মানীয় ও ভিআইপি ব্যক্তিবর্গের সংসর্গ লাভ ও মতবিনিময়ের সুযোগ
- ব্যবসায়িক কার্যক্রম ও আলোচনায় ব্যবসায়িক প্রতিনিধিদের সঙ্গে অংশগ্রহণ
- সরকারি আমলা ও কুটনৈতিক প্রতিনিধিদের সংস্পর্শে আসা
- বিনিয়োগ ও বাণিজ্যের তথ্যানুসন্ধান
- স্ব স্ব ব্যবসায়িক কার্যক্রমের অগ্রগতি সাধন
বাংলাদেশ এই নতুন উদ্যোগের মাধ্যমে খুবই উপকৃত হবে। বাংলাদেশ সরকারকে BABO এই মুহুর্তে অনুরোধ করতে চাই-
১. যত শীঘ্র সম্ভব আফ্রিকায় বিনিয়োগের প্রয়োজনীয় অনুমতি প্রদান
২. দেশে ও বিদেশে কৃষি কাজের জন্য ব্যবসায়িদের উৎসাহিতকরণ
BABO এর এখন দুটি প্রধান উদ্দেশ্য -
১. বাংলাদেশের জন্য খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা
২. বাংলাদেশি উদ্যোক্তাদের আফ্রিকা ও এর দেশসমুহে বিনিয়োগের অনুমতি লাভে কাজ করা
ভবিষ্যৎ প্রজন্ম এই মহতী উদ্দোগের জন্য BABO কে কৃতজ্ঞচিত্তে স্বরণ করবে এবং এই প্রকল্পকে এগিয়ে নিতে তারা ভবিষ্যতে নিরলসভাবে কাজ ক’রে যাবে।
2011
No comments:
Post a Comment